বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের কর্মসূচিতে পূর্ণ সমর্থন "কর্মচারী ঐক্য পরিষদের"
১৬ অক্টোবর, ২০২৫: – সরকারি চাকরিজীবীদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গঠিত ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’ তাদের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের চলমান ও আসন্ন কর্মসূচিতে পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছে।
একইসঙ্গে জোটের অভ্যন্তরে কোনো রকম ভুল বোঝাবুঝি বা ব্যক্তিগত মন্তব্যের কারণে যেন ঐক্য বিনষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকুরিজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এবং ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ মাহমুদুল হাসান বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক বাণীতে এই বার্তা দেন।
বাণীতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ বহু সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ জোট, যার মধ্যে ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরাম এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনগুলো রয়েছে। চলমান কর্মসূচিতে ঐক্যের বার্তা ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংগঠন তাদের দাবি আদায়ে কর্মসূচি শুরু করেছে: ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরাম: গত ১০ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন: আগামীকাল, ১৭ অক্টোবর, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আলোচনা সভা করবে।
আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন: আগামী ২৪ অক্টোবর আলোচনা সভার আয়োজন করবে। তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতি: আগামী ২৫ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করবে। মোঃ মাহমুদুল হাসান সকল সরকারি চাকরিজীবী ভাই ও বোনদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, নিজেদের স্বার্থে যেন সবাই যার যার সাধ্যমতো এই কর্মসূচিগুলোতে অংশগ্রহণ করেন।
সম্পর্ক অটুট রাখার আহ্বান বাণীতে বিশেষ জোর দিয়ে বলা হয়, কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি জনাব ওয়ারেচ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক খায়ের আহমেদ মজুমদার-এর সাথে ১১-২০ ফোরামের নেতৃবৃন্দের সুসম্পর্ক রয়েছে। ওয়ারেচ আলী ও খায়ের আহমেদ মজুমদার ইতোমধ্যেই ১১-২০ ফোরামের নেতৃবৃন্দকে তাদের প্রোগ্রামে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মাহমুদুল হাসান বলেন, "কোনো একজন ব্যক্তি বিশেষের বেয়াদবি ও নিজেকে জাহির করতে গিয়ে অযাচিত মন্তব্যের কারণে সংগঠনগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং আমাদের জোট 'ঐক্য পরিষদ' কোনো ক্রমেই বিনষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
তিনি কর্মচারীদের স্বার্থে সকল শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ঐক্য পরিষদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলে নিশ্চিত করেন। পে কমিশনের দাবি ও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ঐক্য পরিষদের মূল দাবি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "আমরা সকলেই চাই ১:৪ রেশিওতে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি হোক।
তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যদি এই সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হয়, তবে সকলে মিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের নির্দ্বিধায় অংশ নিতে উৎসাহ দিয়ে মাহমুদুল হাসান সকলকে কোনো বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তায় কান না দিতে অনুরোধ করেন।

মন্তব্য করুন